নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত এলাকা দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৭জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টার ঘটনায় ১২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশ-ইনের এই চেষ্টা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তৎপরতায় ব্যর্থ হলেও, আটকে পড়া ব্যক্তিরা এখনো সীমান্তের শূন্যরেখায় (জিরো লাইন) অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন।
আজ শুক্রবার (৫ জুন) সকালে উপজেলার কলমুডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিএসএফের সাড়া না পাওয়ায় পতাকা বৈঠকের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়া যায়নি।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালের দিকে কলমুডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় বিএসএফের সদস্যরা ওই ১৭ জন ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করায়। খবর পেয়ে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অনুপ্রবেশে বাধা দেয় এবং তাদের ভারতীয় শূন্যরেখার অভ্যন্তরে আটকে দিতে সক্ষম হয়।
আটকে পড়া ১৭ জনের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ৬ জন নারী এবং ৫ জন শিশু রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও যশোর অঞ্চলের বাসিন্দা বলে দাবি করেছেন। বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে সীমান্তের শূন্যরেখায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পর থেকে কলমুডাঙ্গা ও সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও কড়া নজরদারি জারি রয়েছে। কোনো অবস্থাতেই অবৈধভাবে কাউকে সীমান্ত অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না। শূন্যরেখায় আটকে পড়াদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া ও বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।