• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কুড়িগ্রামের উন্নয়নে রাজনৈতিক একতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত আমরা আনন্দিত, আমরা আশাবাদী! পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবি’র কঠোর নজরদারি  কুড়িগ্রামে প্রস্তাবিত বাংটুর ঘাট সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চীনা প্রতিনিধি দল তিস্তা ব্রিজ টোল প্লাজায় কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগ, আহত-৯ কুড়িগ্রামের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের অনেকেই জনগণ বিরোধী- ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ পরকীয়া করে গোপন ভিডিও ধারণ ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে চরমোনাইয়ের মাওলানা গ্রেফতার কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জলঢাকার টেংগনমারীতে আস্থা কেয়ায়-এর উদ্বোধন কুড়িগ্রামে স্কুল, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি বাঁচাতে ধরলা পাড়ে মানুষের প্রতিবাদ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার হুশিয়ারী দেন আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ে স্বস্তি নদীতীরের মানুষের

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি / ৫৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে তীর সংরক্ষণ কাজ চলমান থাকায় স্বস্তি ফিরেছে নদীতীরবর্তী মানুষের মাঝে। বিশেষ করে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজের মান ভালো হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে দীর্ঘদিনের ভাঙন আতঙ্ক কিছুটা হলেও কমেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

 

উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের গাবুর হেলান, কালির মেলা, রামহরি এলাকাসহ তিস্তার ভাঙনপ্রবণ বিভিন্ন স্থানে বর্তমানে তীর সংরক্ষণে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে। নদীভাঙনের কবল থেকে বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষায় এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা নদীতে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে মোট ৪০টি প্যাকেজের মাধ্যমে প্রায় ১৪ কিলোমিটার তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮০ কোটি টাকা। কাজের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ২৫০ কেজি বালুভর্তি জিও ব্যাগ এবং ১৭৫ কেজি ওজনের সিমেন্ট ব্লক। তবে কোথাও কোথাও বালু ভর্তি জিও ব্যাগে বালু কম দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে তিস্তার ভাঙন রোধের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের কারণে কাঙ্ক্ষিত সুফল মেলেনি। তবে এবার কাজের গুণগত মান ভালো হওয়ায় তারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।

 

গাবুর হেলান এলাকার তিস্তা তীরবর্তী বাসিন্দা শহিদ মিয়া বলেন, “আগে ভাঙন রোধের কাজ ভালো না হওয়ায় অনেক মানুষের বসতভিটা আর ফসলি জমি নদীগর্ভে চলে গেছে। কিন্তু এবার কাজের মান ভালো হওয়ায় ভাঙনের ঝুঁকি অনেকটাই কমেছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা মন্টু মিয়া বলেন, “তিস্তার ভাঙনে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। এবার জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ ভালো হয়েছে। এতে মানুষের ভাঙনের টেনশন অনেকটাই দূর হয়েছে।

 

গৃহবধূ আম্বিয়া বেগম বলেন, “প্রতি বছর তিস্তার ভাঙনে আমাদের ঘুম হারাম হয়ে যায়। বসতভিটা নিয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকি। এবার বাঁধের কাজ ভালো হওয়ায় মনে হচ্ছে আমরা কিছুটা নিরাপদে থাকতে পারবো, চাষাবাদও রক্ষা পাবে।

 

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মঈদুল ইসলাম বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ম মেনেই তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বুয়েট টেস্টের ভিত্তিতে ঠিকাদারকে বিল প্রদান করা হয়। এরপরও কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা